Saturday, May 12, 2018
মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট
Wednesday, April 11, 2018
কোটাপদ্ধতি বাতিল!!!
কোটা সংস্কারের আন্দোলনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার জাতীয় সংসদে এ নিয়ে কথা বলেছেন। সরকারদলীয় সাংসদ জাহাঙ্গীর কবির নানকের বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনা হলো, একটি সুনির্দিষ্ট তারিখ দিল, কেবিনেট সেক্রেটারিকে আমি দায়িত্ব দিলাম। তারা সে সময়টা দিল না। মানি না, মানব না বলে তারা যখন বসে গেল, আস্তে আস্তে সব তাদের সঙ্গে যুক্ত হলো। খুব ভালো কথা, সংস্কার সংস্কার বলে...সংস্কার করতে গেলে আরেক দল এসে বলবে আবার সংস্কার চাই। কোটা থাকলেই সংস্কার। আর কোটা না থাকলে সংস্কারের কোনো ঝামেলাই নাই। কাজেই কোটা পদ্ধতি থাকারই দরকার নাই। আর যদি দরকার হয় আমাদের কেবিনেট সেক্রেটারি তো আছেন। আমি তো তাঁকে বলেই দিয়েছি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বসে তাঁরা কাজ করবেন। সেটা তাঁরা দেখবেন। আমি মনে করি, এ রকম আন্দোলন বারবার হবে। বারবার শিক্ষার সময় নষ্ট হবে।’
Tuesday, April 10, 2018
মায়ের চিকিৎসার টাকা মা দেবে, আমারে বলেন কেন?
Friday, March 30, 2018
কিছু অলিখিত ‘কমনসেন্স’
কমনসেন্স, যা বাংলায় কাণ্ডজ্ঞান নামেই পরিচিত। হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউতে ২০০০ সালে প্রকাশিত এক নিবন্ধনে কাণ্ডজ্ঞান বিষয়টিকে ব্যক্তিত্ব-সংশ্লিষ্ট সক্ষমতা হিসেবে বলা হয়েছে। অন্যের কাণ্ডজ্ঞান কিংবা কমনসেন্স নিয়ে আমরা প্রায়ই বিপত্তিতে পড়ি। মানুষভেদে কাণ্ডজ্ঞানের মাত্রা কিন্তু ভিন্ন হয়ে থাকে। কর্মক্ষেত্র, পরিবার কিংবা ব্যক্তিজীবন-সব ক্ষেত্রেই আপনি কতটা ইতিবাচক ব্যক্তিত্বের অধিকারী, তার পরিচয় কিন্তু প্রকাশ পায় কাণ্ডজ্ঞানের মাত্রা অনুসারে। বাজফিডে এমনই কিছু অলিখিত সামাজিক কমনসেন্সের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।
* কখনোই শব্দ করে খাবেন না। আপনার হাড় চিবানোর কড়কড়ে শব্দ অন্যের জন্য বিপত্তিকর কিন্তু। মুখ বন্ধ করে ধীরস্থিরভাবে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
* অন্য কেউ যখন কথা বলবেন, তখন তাঁর কথার মধ্যে তাঁকে থামিয়ে দেবেন না। অন্যের কথা শেষ হলে তারপর কথা বলুন। চোখে চোখ রেখে কথা বলুন।
* রেস্টুরেন্টের ওয়েটার, লিফটম্যান কিংবা শপিং মলের সেলসম্যান বা গাড়ির চালক, যাঁরা আপনাকে সেবা দিচ্ছেন, তাঁদের সঙ্গে মার্জিত আচরণে কথা বলুন।
* চুইংগাম খাওয়া শেষে তা যেখানে-সেখানে ফেলবেন না। কাগজে বা টিস্যুতে মুড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলুন।
* সাইকেল পার্কিংয়ে কখনোই অন্যের সাইকেলের সঙ্গে নিজের সাইকেলের তালা বা লক আটকাবেন না।
* শপিং মলে এসকেলেটর সিঁড়িতে পাশাপাশি দুজন দাঁড়াবেন না। এসকেলেটর সিঁড়িতে স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে ডান পাশের চলাচলের পথ খালি রাখুন, যেন কেউ হেঁটে উঠতে চাইলে যেতে পারে।
* প্রকাশ্যে মুঠোফোনের লাউডস্পিকারে কথা বলা কিংবা গান শুনবেন না।
* কেউ আপনাকে কোনো সহযোগিতা করলে ধন্যবাদ বলুন। ধন্যবাদ ও দুঃখিত বলার চর্চা করুন।
* ছোট শিশুদের আদর করার ক্ষেত্রে বাবা-মা কিংবা অভিভাবকের অনুমতি চেয়ে নিন। নবজাতককে স্পর্শ করতে চাইলে হাত জীবাণুমুক্ত করে নিন।
* প্রত্যেক মানুষেরই একটি ব্যক্তিত্বের বলয় থাকে, তার প্রতি সম্মান দিন।
* অন্যের জন্য দরজা খুলে ধরে রাখা কিংবা চেয়ার টেনে দেওয়ার সৌজন্য চর্চা করুন।
* খাবারের টেবিলে জোর করে কাউকে খাবার প্লেটে তুলে দেবেন না।
* ব্যাংকে কিংবা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে কখনোই কোনো ধরনের লাইন অমান্য করবেন না। আপনার আগে যিনি এসেছেন, তাঁকে সেবা নেওয়ার সুযোগ দিন।
* কারও বাড়িতে বেড়াতে গেলে তাঁর ব্যক্তিগত ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার, মুঠোফোন ধরবেন না। এমনকি বেড়াতে গেলে অন্যের বেডরুমে উঁকি দেবেন না। অন্যের ব্যক্তিগত ডায়েরি কখনোই পড়বেন না।
* কাউকে বয়স, বিয়ে করেছেন কি না ও বেতন কত, এমন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বিব্রত করবেন না।
* অন্যের বাড়িতে বেড়াতে গেলে বাথরুম ব্যবহারের প্রয়োজন হলে পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
Wednesday, March 28, 2018
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উড়বে ২৪ এপ্রিল
Wednesday, March 21, 2018
ঈগলের ৭ নীতি
ঈগল যেই উচ্চতায় উড়ে বেড়ায়, সেই উচ্চতায় অন্য কোন পাখি পৌঁছাতেও পারে না। এজন্যেই ঈগল একা ওড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কারোর সাথে দল বেঁধে নয়।
অতএব এখান থেকে আমাদের শেখা উচিত যে, আমরা যেখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি, সারা জীবন ওখানেই থাকলে আমরা নতুন কিছু শিখব না, জীবন নিয়ে জানবো না, নিজের ক্ষমতাগুলো নিয়ে অবগত হব না। এক কথায়, ‘Comfort Zone’ থেকে বের হতেই হবে! নচেৎ নতুন কিছু শেখা কখনোই সম্ভব নয়।
Saturday, January 27, 2018
২০০ বছর ধরে ধ্যানমগ্ন!
Saturday, January 20, 2018
নিদাহাস ট্রফির সূচি প্রকাশ!!!
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো বেশ কিছুদিন আগে নির্ধারিত হয়ে গেলেও এবার নির্ধারিত হলো প্রতিযোগিতাটির সূচি।
নিদাহাস ট্রফি ২০১৮ আসরের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী আসরের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে ভারত ক্রিকেট দল। একদিন বিরতি দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে আসরের ম্যাচগুলো, যেখানে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৮ মার্চ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। এর একদিন বাদে আবার স্বাগতিক লঙ্কানদের বিপক্ষে মাঠে নামবে সাকিব আল হাসানরা।
ডাবল রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে আসরের ম্যাচগুলো। যার ফলে আসরে প্রতিটি দল একে অন্যের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই প্রতিযোগী ফাইনালের জন্য নির্বাচিত হবে। ফাইনাল ম্যাচের আগে দ্বিতীয়বারের দেখায় ১৪ মার্চ ভারতের এবং ১৬ মার্চ আবারও শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আসরের পর্দা নামবে ১৮ মার্চ। প্রতিযোগিতার সবকয়টি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোর প্রেমাদাসা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
শ্রীলঙ্কার ৫০ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে এর আগে ১৯৯৮ সালে শেষবারের মতো আয়োজিত হয়েছিল নিদাহাস ট্রফি। ওয়ানডে ফরম্যাটের ঐ আসরে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছিল ভারত ক্রিকেট দল। তবে এবার একদিনের প্রতিযোগিতা থেকে সরে এসে আসরটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে সফরকারী শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ওয়ানডে ফরম্যাটের এই প্রতিযোগিতায় দুই ম্যাচ খেলে দুই দাপুটে জয়ে ইতোমধ্যে আসরের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ হেরে আসরের ফাইনাল খেলার দৌঁড় থেকে অনেকটাই ছিটকে গেছে লঙ্কানরা।
নিদাহাস ট্রফি ২০১৮ আসরের সূচি-
তারিখ দল
৬ মার্চ ২০১৮ শ্রীলঙ্কা বনাম ভারত
৮ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম ভারত
১০ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা
১২ মার্চ ২০১৮ শ্রীলঙ্কা বনাম ভারত
১৪ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম ভারত
১৬ মার্চ ২০১৮ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা
১৮ মার্চ ২০১৮ ফাইনাল
(Source: bdcrictime.com)
To know more information please visit our blog.
ফাইনাল নিশ্চিত বাংলাদেশের!!!
বাংলাদেশের ফাইনাল নিশ্চিত!!!
২০ জানুয়ারি ২০১৮
ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের। ছবি: এএফপিঘরের মাঠে ২০০৮ সালের পর এই প্রথম অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রিদেশীয় ক্রিকেট সিরিজ। ১০ বছর পর অনুষ্ঠানরত এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল নিশ্চিতই হয়ে গেছে বাংলাদেশের।
আজ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৬৩ রানে হারিয়েই ফাইনালের টিকিট কেটে ফেলেন মাশরাফি-সাকিবরা। প্রশ্ন হতে পারে, কীভাবে?
এই সিরিজে ম্যাচ জিতলে জয়ী দল পাচ্ছে ৪ পয়েন্ট করে। বোনাস পেলে যোগ হয় আরও ১ পয়েন্ট। প্রথম ম্যাচেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। বোনাস পয়েন্টটাও পাওয়া গিয়েছিল। আজও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ে বোনাস পয়েন্ট যোগ হয়েছে বাংলাদেশের মোট পয়েন্টের সঙ্গে। দুই ম্যাচে জয়ের পয়েন্ট, সেই সঙ্গে বোনাস—বাংলাদেশের মোট পয়েন্ট এখন ১০। শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে-দুই দলেরই আর দুটি করে ম্যাচ জেতা সম্ভব নয়। জিম্বাবুয়ে যদি দুই ম্যাচ জেতে, তাহলে অন্তত এক ম্যাচ হারতেই হবে শ্রীলঙ্কাকে, কারণ একটা ম্যাচে মুখোমুখি হবে তারা। শ্রীলঙ্কারও অবস্থা একই। একই অঙ্ক কষতে হচ্ছে তাদের।
সিরিজে দুটি করে খেলা বাকি তিন দলেরই। লঙ্কানরা পরের ২টি ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে সর্বোচ্চ ১০ (বোনাসসহ)। বাংলাদেশ পরের দুটি হারলে ১০ পয়েন্ট কিন্তু থাকছেই। জিম্বাবুয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারানোয় তাদের পয়েন্ট ৪। তারা সে ম্যাচে কোনো বোনাস পায়নি। তারা যদি পরের দুটি ম্যাচ জেতে (বোনাস নিয়ে), তাহলে তাদের পয়েন্ট হবে ১৪। দুটি ম্যাচ জিতলে শ্রীলঙ্কাকে অবশ্যই হারতে হবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ফাইনাল নিশ্চিতই।
শ্রীলঙ্কা পরের দুই ম্যাচে বোনাস পয়েন্টসহ জিতলে তাদের সর্বোচ্চ পয়েন্ট হবে ১০। জিম্বাবুয়ে তখন বাংলাদেশকে বোনাসসহ হারালেও ৯ পয়েন্টের বেশি পাবে না। সে ক্ষেত্রে ফাইনালে চলে যাবে শ্রীলঙ্কাই।
To know more information, please visit our blog:
www.bangladeshtimes-bd.blogspot.com
Monday, January 15, 2018
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইঞ্জিনিয়ার....!!!
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইঞ্জিনিয়ার…..।
বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর ৭জনই ইঞ্জিনিয়ার। তারা কেউ বিসিএস ক্যাডার নন এবং কি সরকারী কোন প্রতিষ্ঠানের বড় ইঞ্জিনিয়ারও ছিলেন না। তাদের সবার সাফল্যের চাবিকাঠি একটাই; ব্যবসা। আসুন আজ জেনে নেই সেই ৭জন শীর্ষ ধনী সম্পর্কে, যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র ছিলেনঃ

১) বিল গেটসঃ বিল গেটস একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস। তাকে চেনে না এমন অল্পশিক্ষিত মানুষ পাওয়াও দুর্লভ। টানা ১৭ বছর বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী ছিলেন বিল গেটস। ২০১০ সালে কার্লোস স্লিমের কাছে শীর্ষস্থান হারালেও ৪বছর পর ২০১৪ থেকে তিনি আবার স্বপদ দখল করেন। মানবদরদী এই কম্পিউটার প্রোগ্রামার হার্বার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কিন্তু পড়াশুনা শেষ না করেই ১৯৭৪ সালে শিক্ষাজীবনের ইতি টেনে ব্যবসায় নামেন। মানবসেবার জন্য ২০০০ সালে বিল এন্ড মিলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন চালু করেন এবং ২০০৯ সালে ওয়ারেন বাফেটের সাথে ঘোষনা দেন অর্জিত অর্থের অর্ধেক মানবসেবায় ব্যয় করার।
২) জেফ বোজেসঃ বিশ্বের সর্ববৃহৎ অনলাইন শপিং সাইট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বোজেস ২০১৭ সালের ২৭শে জুলাই বিল গেটসকে হটিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর স্থান দখল করেন। অক্টোবরের ২৭ তারিখ বিল গেটসের কাছে শীর্ষস্থান হারান তিনি। তার মোট সম্পদের পরিমান ১০৫.১ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বের ৩য় শীর্ষ ধনী জেফ বোজেস একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ১৯৮৬ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স সম্পন্ন করেন।
৩) কার্লোস স্লিমঃ মেক্সিকো স্টক এক্সচেঞ্জের ৪০% একাউন্টসের মালিক কার্লোস স্লিম। বিল গেটসকে হটিয়ে ২০১০ সালে বিশ্বের শীর্ষ ধনী পদ দখল করেন এবং টানা ৪বছর স্বস্থানে বহাল ছিলেন। ২০১৪ সালে বিল গেটসের কাছে শীর্ষস্থান হারানো কার্লোস স্লিমের বর্তমান সম্পদের পরিমান ৬৪.৫ বিলিয়ন ডলার এবং বর্তমানে ৬ষ্ঠ শীর্ষ ধনী। মেক্সিকোর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করেছেন তিনি।
৪) ডেভিড কোচ ও চার্লস কোচঃ বিশ্ববিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশুনা করা দুই ভাই ডেভিড ও চার্লস বিশ্ববিখ্যাত কেমিক্যাল ও পেট্রোলিয়াম কোম্পানী কোচ ইন্ডাস্ট্রিজ এর চেয়ারম্যান এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট। দুই ভাই কোচ এর ৮৪% শেয়ারের মালিক এবং দুইজনের সম্মিলিত সম্পদ ৯৬.৬বিলিয়ন ডলার।
৫) মাইকেল ব্লুমবার্গঃ নিউইয়র্ক সিটির সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ বর্তমানে বিশ্বের ১০ম শীর্ষ ধনী। ১৯৬৪ সালে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ব্যাচেলর অব সায়েন্সে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।
৬) মাইক জুকারবার্গঃ হার্বার্ডের ডরমেটরিতে ফেসবুক আবিষ্কার করা বালকটি এখন বিশ্বের ৫ম শীর্ষ ধনী এবং ৭৪.২বিলিয়ন ডলারের মালিক। কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র জুকারবার্গ ২০১৬ সালে বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় ১০ম স্থানে ছিলেন।
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েও তারা Determination, Hard Work এবং Innovation কারনে সফল ব্যবসায়ী হয়েছেন
Tuesday, December 26, 2017
আলীবাবার বিশ্বজয়ের গল্প!
জ্যাক মা পৃথিবীর অন্যতম বড় অনলাইনভিত্তিক কোম্পানি আলিবাবা ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসেবে জ্যাক মা পৃথিবীর ৩৩ তম শীর্ষ ধনী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ২১.৬ বিলিয়ন ডলার। পৃথিবীজুড়ে মানুষ তাকে চেনে তার অটল সংকল্পের কারণে। বারবার ব্যর্থতা আর প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি, অসম্ভব সব প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে পৌঁছেছেন সাফল্যের শিখরে।
বিশ্বকে জানার আগ্রহ
জ্যাক মা শৈশবে ছিলেন লিকলিকে শরীরের অধিকারী, পড়ালেখায় কখনোই খুব ভাল ছিলেন না। স্কুলে তাঁর সহপাঠীদের সাথে প্রায়ই মারামারিতে জড়িয়ে পড়তেন। কিন্তু একটি জিনিসে তার দারুণ আগ্রহ ছিলো।b
জ্যাক মা ১২-১৩ বছর বয়স থেকেই ইংরেজি শেখা শুরু করেন। চীনে তখন ইংরেজি শেখার সুযোগ ছিল না, ইংরেজিতে কোন বইও পাওয়া যেত না। হোটেলে বিদেশি পর্যটকরা আসতেন, তিনি সেখানে গিয়ে বিনে পয়সায় পর্যটকদের গাইডের কাজ করতেন। কৈশোরে টানা নয় বছর তিনি এই কাজ করে গেছেন।
এর ফলে তার দুটো অমূল্য শিক্ষা লাভ হয়েছিল- বিদেশিদের সাথে থেকে তিনি পশ্চিমা ঢঙে চোস্ত ইংরেজি বলা রপ্ত করেছিলেন, এবং তাদের নানা অভিজ্ঞতা, তাদের সাথে ঘোরাফেরা জ্যাক মা’র মনকে অনেক বড় করে দিয়েছিল, সীমিত গণ্ডির বাইরে গিয়ে সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন দেখতে শিখেছিলেন।
স্কুল আর গুরুজনদের গতানুগতিক শিক্ষার সাথে পর্যটকদের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতালব্ধ শিক্ষার বিস্তর ফারাক। তাই জ্যাক মা কৈশোরেই নিজের জন্য ভিন্ন এক অভ্যাস গড়ে তুলেন- যেটাই পড়তেন, দেখতেন, শুনতেন- সেটা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতেন।
পদে পদে ব্যর্থতা
জ্যাক মার উত্থানের গল্প রূপকথাকেও যেন হার মানায়।
প্রাইমারি স্কুলে পরীক্ষার সময় তিনি দু’বার ফেল করেছিলেন। মাধ্যমিক স্কুলেও তিনবার ফেল করেন। তার শহর হাংজুতে মাত্র একটি মাধ্যমিক স্কুল ছিল। ছাত্রদের মান অনেক খারাপ ছিলো দেখে সেখানকার প্রাথমিক স্কুল থেকে পড়া কাউকে মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি করতে চাইত না কেউ।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপরীক্ষায়ও তিনি তিনবার ফেল করেছিলেন! শিক্ষাজীবনে আরও অনেকবার ফেল করেছেন তিনি। জ্যাক মা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “এতবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে, ফেল করে কিন্তু বেশ উপকারই হয়েছিল আমার!”
পড়ালেখার পাট চুকলো। এবার কর্মজীবনে প্রবেশের পালা, সেখানেও পদে পদে বিপত্তি! বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে তিনি চাকরির জন্য চেষ্টা করেছিলেন। সেখানে বিভিন্ন চাকরির আবেদনে তাকে ৩০ বারেরও বেশি প্রত্যাখ্যাত হতে হয়!
Jack Ma with his parents.
যখন চীনে প্রথম কেএফসি আসে, তখন ২৪ জন চাকরির জন্য আবেদন করেন। তাদের মাঝে ২৩ জনই চাকরির সুযোগ পান। শুধু একজন বাদ পড়েন, সেই মানুষটি হচ্ছেন জ্যাক মা! এমনও ঘটেছে, পাঁচজন মানুষের মধ্যে চারজনেরই চাকরি হয়েছে, ব্যর্থ মনোরথে ফিরতে হয়েছে শুধু তাকে। কৈশোর, তারুণ্যজুড়ে চারপাশ থেকে কেবল প্রত্যাখ্যানের পর প্রত্যাখ্যানই দেখেছেন তিনি।
স্বপ্নের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি, যথারীতি সেখানেও তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়! একবার-দু’বার নয়, টানা দশবার ভর্তির আবেদন করেছেন তিনি, আর প্রতিবারেই প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন!
হার্ভার্ডের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেলে নিজের দেশেই কোথাও উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে মনস্থির করলেন তিনি। এখানেও করুণ দশা- বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথমবার গণিতে তিনি ১ পেয়েছিলেন!
তিনবার পরীক্ষা দিয়েও ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাননি। শেষ পর্যন্ত যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন- হ্যাংঝোউ নরমাল ইউনিভার্সিটি, সেটিকে তখন ‘চতুর্থ শ্রেণির’ বিশ্ববিদ্যালয় ধরা হতো। কিন্তু জ্যাক মা পেছন ফিরে তাকাতে গিয়ে অনুভব করেন, হ্যাংঝোউ তার কাছে হার্ভার্ডের চেয়েও বড়!
ইন্টারনেটের সাথে পরিচয়
ইংরেজিতে দক্ষতার সুবাদে তিনি একটি স্থানীয় কলেজে বছর পাঁচেক ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেন। তখন তাঁর বেতন ছিল মাসে ১৫ ডলার। এ সময়ে তিনি স্থানীয় কেএফসি, হোটেল এবং পুলিশে চাকরির আবেদন করেন এবং সবখানে অকৃতকার্য হন!
সবখানে পরাজিত হয়ে বেপরোয়া জ্যাক মা এবার সিদ্ধান্ত নিলেন ব্যবসা করবেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি একটি অনুবাদ প্রতিষ্ঠান চালু করেন, কিন্তু তাতে তাঁর আর্থিক অবস্থার কোন উন্নতি হলো না! সংসারের খরচ চালাতে তখনো তাকে রাস্তায় মাল টানাটানির কাজে শ্রম দিতে হলো।
কিন্তু অনুবাদক হিসেবে কাজ করার সুবাদে তিনি অসাধারণ একটি সুযোগ পেলেন, যেটি তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় চিরদিনের জন্য। ১৯৯৫ সালে একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের অনুবাদক হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করার সুযোগ পান।
সেই সফরেই তার প্রথম ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় ঘটে। ইন্টারনেটের গতি ছিল তখন ভীষণ ধীর। জ্যাক মা’র এক বন্ধু তাকে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেয়। তিনি ভয়ে কম্পিউটার স্পর্শই করেননি সেদিন! কারণ চীনে তখন কম্পিউটারের দাম ছিল আকাশছোঁয়া, নষ্ট হয়ে গেলে তখন দাম দিতে পারতেন না তিনি।
কিন্তু বন্ধুর উৎসাহে ভরসা পেলেন, কাঁপা কাঁপা হাতে ইন্টারনেটে প্রথম সার্চ করেন। ইতিহাস বদলে দেওয়া একটি মুহূর্তের সূচনা ঘটে এভাবেই।
ব্যবসার আইডিয়া
জ্যাক মা ইন্টারনেট চালাতে গিয়ে লক্ষ্য করলেন “China” বা “Beer” এ দুটি শব্দ কোন অনলাইন তালিকাতে নেই। ব্যাপারটি তাকে ভাবিয়ে তোলে। সফর শেষে চীনে ফিরে এসে তিনি একটি লিস্টিং সাইট চালু করলেন। পরে তিনি সেটি সরকারের কাছে বিক্রি করে দেন।
এরপর কিছুদিন তিনি চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তারপর চাকরি ছেড়ে তিনি হুয়াং ঝুতে ফিরে এসে তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজে নেমে পড়েন।
“আলিবাবা”র জন্ম
জ্যাক মা ইন্টারনেটভিত্তিক একটা ব্যবসা গড়ে তোলার চেষ্টা শুরু করেন। তিনি পরিচিত অনেক মানুষকে জিজ্ঞেস করেন, আলিবাবাকে তারা চিনে নাকি? সবাই বললো ‘হ্যাঁ’!’ ‘আলিবাবা ও ৪০ চোর’ গল্পের কারণে সবাই আলিবাবাকে চিনে। তাই তিনি নিজের কোম্পানির জন্য এই নামই গ্রহণ করেন।
নাম তো ঠিক হলো, কিন্তু ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন জোগাড় হবে কিভাবে? তিনি ব্যবসায় অংশীদারীর জন্য তার ২৪ জন বন্ধুকে বাসায় নিমন্ত্রণ করলেন। ঝাড়া দুই ঘণ্টা তার আইডিয়া সবাইকে বোঝানোর পর তিনি আবিষ্কার করলেন তার আইডিয়ার বিন্দুবিসর্গ কিছুই বোঝেনি কেউ! ২৪ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন জ্যাক মা’র পাশে থাকতে রাজি হলো।
এতে দমে গেলেন না তিনি, বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে মানুষজন জোগাড় করলেন। ১৮ জন সহপ্রতিষ্ঠাতাকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় আলিবাবার যাত্রা শুরু হলো। সেদিন তিনি সবাইকে খুব পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন, “আমরা যদি সফল হই, তার মানে হলো চীনের শতকরা ৮০ ভাগ তরুণের পক্ষেই সফল হওয়া সম্ভব!”
কারণ তারা সফল হবেন এটা কল্পনা করাও ছিল কষ্টসাধ্য। কেউ তাদের পেছনে বিনিয়োগ করেনি। না ছিল ক্ষমতা, না ছিল উপরমহলে যোগাযোগ, না কোনো সামাজিক অবস্থান। সম্বল বলতে তেমন কিছুই ছিল না। তারা ১৮ জন ৫ লাখ আরএমবি করে বিনিয়োগ করেছিলেন।
সিদ্ধান্ত হয়েছিল অন্তত ১২ মাস এই টাকায় ব্যবসাটা চালিয়ে নেবে। এর মধ্যে যদি কিছু আয় হয়, তবে ব্যবসা চলবে। নতুবা অন্য কিছু ভাবতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য এখানেও পিছু ছাড়লো না, আট মাসের মাথায়ই তাদের সব অর্থ ফুরিয়ে গেলো! জ্যাক মা পড়লেন অথৈ সাগরে, তাদের নিয়ে কারও কোনো আশা আর ছিল না।
যদি লক্ষ্য থাকে অটুট
আলিবাবায় ১৮ জন মানুষ শুধু এটাই ঠিক করেছিলেন, তারা আপন বিশ্বাসে অটল থাকবেন, চড়াই-উতরাইগুলো একসঙ্গে পাড়ি দেবেন। বারবার ব্যর্থতার মুখে তাদের কোন স্বপ্ন বা কল্পনা ছিল না, ছিল শুধু একবুক আশা।
আলিবাবাতে তারা একটি বি-টু-বি প্ল্যাটফর্ম চালু করেন যেখানে চীনের রপ্তানিকারকরা তাদের পণ্যের তালিকা দিতে পারবে। সেই তালিকা দেখে যেন বিদেশী ক্রেতারা এসব পণ্য ক্রয় করতে পারে।
জ্যাক মা বুঝতে পারেন সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ
এদিকে চীনের অর্থনীতিতে তখন পরিবর্তনের ঢেউ লেগেছে। ইন্টারনেট চীনে তখন একটু একটু করে পরিচিতি লাভ করা শুরু করেছে। সে সময়ে চীনে ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসাগুলোর জন্যে ঋণ যোগাড় করা ছিল কঠিন কাজ, এবং তাদেরকে বড় বড় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে হতো। আলিবাবার আগমন এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর দুঃসহ অবস্থা রাতারাতি বদলে দেয়!
ধূমকেতুর বেগে উত্থান
রাতারাতি আলিবাবা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে লাগল। ১৯৯৯ সালে আলিবাবা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় গোল্ডম্যান স্যাক্স থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার এবং সফটব্যাঙ্ক থেকে ২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পায়। জ্যাক মা বুঝতে পারেন সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।
২০০৫ সালে ইয়াহু আলিবাবার থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ৪০% শেয়ার কিনে নেয়। এটা ছিল আলিবাবার জন্যে বিশাল অর্জন। চীনের অনলাইনভিত্তিক কেনাবেচার বাজারে আলিবাবার সাথে তখন ই-বে এর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এ বিনিয়োগের ফলে আলিবাবা ও ইয়াহু দু’পক্ষই দারুণভাবে লাভবান হয়।
২০১৩ সালে জ্যাক মা আলিবাবার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে সরে নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। সে বছরেই যুক্তরাষ্ট্রে আলিবাবা’র প্রাথমিক গণ প্রস্তাবনা ছাড়া হয়, আলিবাবার এ অবিস্মরণীয় সাফল্যে জ্যাক মা বলেন, “আজ আমরা মানুষের টাকা নয়, তাদের বিশ্বাস অর্জন করেছি!”
“আলিবাবা”র সাফল্যের রহস্য
আলিবাবার সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারণ জ্যাক মা এর ব্যক্তিত্ব। তিনি সবসময়ই মেধাবী ও পরিশ্রমী ব্যক্তিদের পছন্দ করেন এবং তাদের সাহায্য করে থাকেন। তাই আলিবাবার পরিবেশ এবং তাঁর আচরণ স্বভাবতই মেধাবীদেরকে দারুণ আকর্ষণ করে।
তিনি তার কর্মচারীদের বলেন তাদের অর্জিত সম্পদ মানবকল্যাণে ব্যয় করার জন্য। তাদের কাজ মানুষের জীবন বদলে দেবে এমনটিই তিনি আশা করেন সবার কাছ থেকে।
আলিবাবা’র সাফল্যের আরেকটি প্রধাণ কারণ প্রতিষ্ঠানটিতে বিপুল পরিমাণ নারী কর্মী কাজ করেন। শুধু আলিবাবাতেই ৪৭ শতাংশ কর্মী হচ্ছেন নারী, এছাড়া তাদের সব অফিস মিলিয়ে ৫৩ শতাংশ কর্মী নারী। আলিবাবার ম্যানেজমেন্টে ৩৩ শতাংশ হচ্ছেন নারী, আরও উচ্চপর্যায়ে নানা পদে আছেন ২৪ শতাংশ।
জ্যাক মা’র দর্শন হচ্ছে, নিজে জিততে চাইলে অন্যকেও স্বাবলম্বী করতে হবে। নারী-পুরুষ সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা যদি অন্যের অবস্থার উন্নতি করতে পারি তবেই সাফল্য আসবে।
আরেকটি বড় কারণ রয়েছে সাফল্যের সূত্র হিসেবে, সেটি হচ্ছে বিশ্বাস। শুরু থেকেই জ্যাক মা অনলাইনে বিশ্বাসের একটি জায়গা তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
স্বভাবতই আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে মানুষ একে অন্যকে কম বিশ্বাস করে। এমনই পরিস্থিতিতে আলিবাবা প্রতিদিন ৬ কোটি বার লেনদেন করে থাকে! অনলাইনে মানুষ কেউ কাউকে সামনাসামনি দেখে না, চেনে না।
জ্যাক মা বলেন, “আমি আপনাকে চিনি না, কিন্তু আপনাকে পণ্য পাঠাই। আপনিও আমাকে চিনেন না, কিন্তু টাকা ঠিকই পরিশোধ করেন। আমরা এখানে বিশ্বাসের জায়গাটা বড় করার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি!
শেষকথা
চীনের আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে বিশাল প্রভাবের পেছনে চালিকাশক্তি হিসেবে রয়েছেন সেদেশের তরুণেরা। চীনের শতকরা ৮০ ভাগ তরুণ সফল হয়েছেন কেবল তাদের কাজের গুণে। তারা অঢেল সম্পদের মাঝে বেড়ে উঠেননি, নেই কোন ব্যাংকের লোন; শুধু পরিশ্রম করে, নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই তাদের জীবনে সাফল্য এসেছে।
জ্যাক মা বলেন, “তোমার যদি কোনো স্বপ্ন থাকে, নিজেকে জিজ্ঞেস করো তুমি সেই স্বপ্ন পূরণে অটল কিনা, তোমার লক্ষ্য পূরণে তুমি আরও একদল মানুষকে আমন্ত্রণ জানাবে কিনা। হাল ছেড়ে দেওয়া খুব সহজ, পরিবার-সমাজ-আর্থিক প্রতিকূলতার দোহাই দেওয়া খুব সহজ।
কিন্তু লক্ষ্য অটুট থাকলে, আর সেটার পেছনে দিনরাত পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকলে পৃথিবীর কারো সাধ্য নেই তোমাকে আটকে রাখার! তাই অজুহাত দেওয়া বন্ধ করো, কাজে নেমে পড়ো, এই মুহূর্তেই, আজ থেকেই!”
Connect with us in our blog and facebook page,
www.bangladeshtimes-bd.blogspot.com
www.fb/bangladeshtimes.com.bd or,
www.fb/ebangladeshtimes.com.bd
Monday, December 11, 2017
চার্লস-ম্যাককালাম ঝড়ে ফাইনালে রংপুর!!!









